কলেজ পরিচিতি
খুলনা মহানগরীর বয়রায় ১৬ একর মনোরম জায়গায় অবস্থিত পদ্মার এপারের সর্ববৃহৎ ও প্রাচীনতম নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।


খুলনা মহানগরীর বয়রা এলাকায় ১৬ একর মনোরম জায়গায় অবস্থিত পদ্মার এপারের সর্ববৃহৎ, প্রাচীনতম এবং দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
খুলনা মহানগরীর বয়রায় ১৬ একর মনোরম জায়গায় অবস্থিত পদ্মার এপারের সর্ববৃহৎ ও প্রাচীনতম নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
ঢাকার ইডেন মহিলা কলেজের পরেই দেশজুড়ে এই ঐতিহাসিক কলেজের অবস্থান ও সুখ্যাতি।
মনোরম পরিবেশ, কঠোর নিয়ম-শৃঙ্খলা ও সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় ছাত্রীদের পছন্দের শীর্ষে।
শিক্ষার গুণগত মান সমৃদ্ধ হওয়ায় প্রতি বছর পাসের হার শতভাগ।
ব্রিটিশ শাসনামলে সমাজসেবক রায় বাহাদুর মহেন্দ্রকুমার ঘোষ নারী শিক্ষার প্রসারে এই বিদ্যাপীঠ প্রতিষ্ঠা করেন। ইন্টারমিডিয়েট কলেজ হিসেবে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটির প্রথম নাম ছিল “রাজেন্দ্রকুমার মহিলা কলেজ”।
ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করতে এ সময় ডিগ্রী (পাস) ও অনার্স কোর্স সফলভাবে চালু করা হয়, যা কলেজের একাডেমিক অগ্রযাত্রায় বড় মাইলফলক।
প্রতিষ্ঠার ২৮ বছর পর শিক্ষার গুণগত মান ও অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৬৮ সালের ২৫শে এপ্রিল কলেজটিকে সম্পূর্ণ সরকারি কলেজ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
প্রতি বছর ১০০ থেকে ১৫০ জন ছাত্রী সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পায়।
৫ জন প্রতিভাবান ছাত্রী শীর্ষস্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলে উপস্থাপক হিসেবে কর্মরত।
সংস্কৃতি ও ক্রীড়ার নানা ক্ষেত্রে এই কলেজের ছাত্রীরা দেশসেরা পারদর্শিতা দেখিয়ে আসছে।
সাবেক ছাত্রীরা সরকারি ও বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ ও নীতি-নির্ধারণী পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
আবাসিক হল
১৪ হাজারের বেশি ছাত্রীর বিপরীতে মাত্র ৬০০ জনের আবাসননিজস্ব বাস
ছাত্রীর সংখ্যার তুলনায় পর্যাপ্ত নয়বর্তমান ছাত্রী
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বৃহত্তম নারী কলেজ